Print Date & Time : 24 October 2026 Saturday 05:30 am

কিভাবে সাজানো হলো এবারের দক্ষিণ কোরিয়া স্কোয়াড

image

দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় ফুটবল দল

ডাকনাম: তায়েগুক ওয়ারিয়র্স ও এশিয়ান টাইগার্স
কনফেডারেশন: এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)
কোচ: হং মিউং-বো
ফিফা র‍্যাংকিং: ২৫ 

কোয়ালিফিকেশন যাত্রা

এশিয়ান বাছাইপর্বে দাপট দেখিয়ে অনায়াসেই ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে দলটি। বাছাইপর্বে দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেন অধিনায়ক সন হিউং-মিন।

খেলার ধরন

উচ্চমাত্রার প্রেসিং, উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণ এবং নিখুঁত পাসিং। রক্ষণভাগ ও মাঝমাঠের মধ্যে দারুণ ভারসাম্য রেখে খেলতে পছন্দ করে।

তারকা খেলোয়াড়

সন হিউং-মিন (ফরোয়ার্ড, বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলস এফসি), কিম মিন-জে (সেন্টার ব্যাক, বায়ার্ন মিউনিখ) এবং লি কাং-ইন (মিডফিল্ডার, পিএসজি)।

উদীয়মান খেলোয়াড়

জেন্স ক্যাস্ট্রপ (বরুসিয়া মনচেনগ্লাডবাখ), মিডফিল্ডার লি কি-হিউক।

কোচের কৌশল

হং মিউং-বো মূলত রক্ষণকে জমাট রেখে বল পজিশন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি প্রতি-আক্রমণে গোল করার ছক কষে থাকেন।

শক্তি ও দুর্বলতা

শক্তি: বিশ্বমানের ফরোয়ার্ড ও ডিফেন্ডার লাইন। বিশেষ করে আক্রমণ ভাগে ইউরোপিয়ান লিগে খেলা খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা। দুর্বলতা: হাই-প্রেসিং দলের বিপক্ষে মাঝেমধ্যে রক্ষণভাগে বিভ্রান্তি এবং দ্রুতগতির কাউন্টার-অ্যাটাকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখা যায়।

বিশ্বকাপ ইতিহাস

বিশ্বকাপে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার রেকর্ড সবচেয়ে সমৃদ্ধ। ২০০২ বিশ্বকাপে তারা চমক সৃষ্টি করে সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

স্মরণীয় মুহূর্ত

২০০২ সালের বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে ইতালি ও স্পেনের মতো জায়ান্টদের হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা।

সংস্কৃতি ও সমর্থক

‘রেড ডেভিলস’ নামে পরিচিত তাদের সমর্থকরা গ্যালারিতে লাল রঙের সমুদ্র তৈরি করে। স্টেডিয়ামে তুমুল ছন্দময় ও ঐক্যবদ্ধ চিৎকার তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

মজার তথ্য

২০০২ সালে স্বাগতিক হিসেবে খেলার পর থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবলের এমন জোয়ার আসে যে, দেশটির হাজার হাজার তরুণ তখন ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-৩-৩ অথবা ৪-২-৩-১

গ্রুপ বিশ্লেষণ

২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেক প্রজাতন্ত্রের মতো শক্তিশালী দলগুলোর মুখোমুখি হবে। নকআউটে যেতে হলে তাদের প্রতিটি ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা দিতে হবে।

ভবিষ্যদ্বাণী

দলের ‘গোল্ডেন জেনারেশন’ বা সোনালি প্রজন্মের মিশেল থাকায় নকআউটে ওঠার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।

উক্তি

‘সীমা ছাড়িয়ে, ঐক্যবদ্ধ লাল’