Print Date & Time : 24 October 2026 Saturday 06:51 am

অবসরপ্রাপ্তদের এমডি নিয়োগে স্বজনপ্রীতির আশঙ্কা, নীতিমালা পুনর্বিবেচনার দাবি

image

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি/সিইও) নিয়োগ নীতিমালায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও নিয়োগের সুযোগ রাখার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ। সংগঠনটির দাবি, এই বিধান বহাল থাকলে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের সুযোগ বাড়বে এবং বর্তমানে কর্মরত যোগ্য কর্মকর্তারা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হবেন।

ডলারের দাম বেঁধে মৌখিক নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশের আহ্বায়ক মো. মোতাহের হোসেন বলেন, এক বছরের মধ্যে দুইবার এমডি, ডিএমডি ও জিএম পদোন্নতি নীতিমালা সংশোধন বা প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং এর প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই নীতিমালা কার স্বার্থ বা কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে করা হয়েছে, তা বোধগম্য নয়।

তিনি বলেন, বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পুনরায় ডেকে এনে কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হলে, একদিকে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা বাড়বে, অন্যদিকে বর্তমানে কর্মরত এবং পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকা যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হবেন।

বিএসইসির নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত

মোতাহের হোসেনের ভাষ্য, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত, অভিজ্ঞ ও যোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই এমডি নিয়োগ দেওয়া হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাগত মনোবল বজায় থাকবে। দলীয় বা ব্যক্তি বিবেচনায় নিয়োগের সংস্কৃতি ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

‘ইসলামী ব্যাংক এখন স্থিতিশীল অবস্থায়, শিগগিরই পুনর্গঠিত পর্ষদ’

তিনি আরও বলেন, আমরা যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও মেধার ভিত্তিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেই এমডি নিয়োগের দাবি জানাই।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয় রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগসংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করে। ওই নীতিমালায় নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও এমডি হিসেবে নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ বিধানকে কেন্দ্র করে ব্যাংকিং অঙ্গনে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
 
—জা.অর্থনীতি/আরএস