অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে রেলপথ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। এটি বাস্তবায়ন হলে মাত্র দুই ঘণ্টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাতায়াত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে চিটাগং জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে রেলপথের কর্ড লাইনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হলেও সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বর্তমান সরকার এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে রেলপথ বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। এতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় মাত্র দুই ঘণ্টায় যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, মাতারবাড়ীতে এক লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি মজুতের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সেখানে আরও দুটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল (এফএসআরইউ) নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, অতীতে জ্বালানির ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা তৈরি হয়েছিল। এখন শুধু গ্যাস বা তেলের ওপর নির্ভর না করে জ্বালানি নিরাপত্তায় বহুমুখী পরিকল্পনা নিতে হবে। কোনো একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বহুমুখী সোর্সিং নিয়ে সরকার কাজ করছে।
প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দিতে পারলে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবে। আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হলে দেশকে প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে।
আঞ্চলিকতার টান সবার মধ্যেই রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে থাকলে খুব সহজেই সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। নিজেদের এবং দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
চিটাগং জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকার ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি শামীম জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দীন আহমদসহ সংগঠনের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কেক কাটা ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
—জা.অর্থনীতি/জেআরটি