Print Date & Time : 27 October 2026 Tuesday 06:14 pm

বাংলাদেশ ব্যাংক-পিকেএসএফের ৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

image

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতে অর্থায়ন বাড়াতে ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা তহবিল নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও পিকেএসএফের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। এই তহবিলের মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন এবং বিদ্যমান ক্ষুদ্র ব্যবসার সম্প্রসারণে অর্থায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতে ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকার বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এবং পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, ডেপুটি গভর্নর মো. আনিছুর রহমান ও পরিচালক মো. জাবেদুল ইসলামসহ এসএমইএসপিডির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পিকেএসএফের পক্ষেও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৩ মে দেশের কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যে পিকেএসএফের মাধ্যমে বিশেষায়িত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার এ বিশেষ প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তহবিলের আওতায় গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়ানো, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং বিদ্যমান ক্ষুদ্র ব্যবসার সম্প্রসারণে অর্থায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত পণ্য ও সেবার সরবরাহব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের উদ্যোগও এ অর্থায়নের আওতায় আসবে।
কর্মসূচিটি তিনটি মূল উপাদানের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। এগুলো হলো—আর্থিক সেবা প্রদান, ব্যবসাগুচ্ছভিত্তিক ভ্যালু চেইন উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন।

পিকেএসএফ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠা সম্ভাবনাময় ব্যবসাগুচ্ছের উন্নয়নে কাজ করবে। এসব ব্যবসাগুচ্ছের মাধ্যমে মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতে ২ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ে অর্থের চাহিদা পূরণ এবং তহবিলের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলটি আবর্তক তহবিল হিসেবে পরিচালিত হবে। ফলে একবার অর্থ বিতরণের পর তা আদায়ের মাধ্যমে আবার নতুন উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে ব্যবহার করা যাবে।

—জা.অর্থনীতি/আরএস