আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মহারাষ্ট্রে দই-হান্ডি উৎসব উদযাপন করতে গিয়ে পৃথক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২১২ জন। নিহতদের মধ্যে মুম্বাইয়ের মালভানিতে সাত বছরের এক শিশুও রয়েছে। অন্যজন পুনের বাসিন্দা এক নারী।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে।
মুম্বাইয়ের মালভানির চিকুওয়াড়িতে একটি আবাসিক এলাকায় স্থানীয় শিশুদের আয়োজনে দই-হান্ডি উৎসব চলছিল। এ সময় দই-হান্ডি ঝোলানোর দড়ির এক প্রান্ত গাছ এবং অন্য প্রান্ত একটি ইটের স্তম্ভের সঙ্গে বাঁধা ছিল। শিশুরা হান্ডি ভাঙার চেষ্টা করার সময় হঠাৎ স্তম্ভটি ধসে পড়ে। এতে সাত বছরের রুদ্র কদম ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মালভানি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, পুনের ওল্ড সাঙ্গভি এলাকায় দই-হান্ডি অনুষ্ঠানের পর একটি অস্থায়ী লোহার কাঠামো খুলে ফেলার সময় সেটি ভেঙে সালমা সালাউদ্দিন পাঠানের ওপর পড়ে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর প্রতিবেদন করেছে এবং কাঠামো ধসের কারণ তদন্ত করছে।
এদিকে মানবপিরামিড তৈরি করে দই-হান্ডি ভাঙতে গিয়ে মুম্বাইয়ে ১৬৮ জন ‘গোবিন্দা’ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৯ জন হাসপাতালে ভর্তি, ৮১ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫৮ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। থানে আহত হয়েছেন আরও ৪৪ জন।
উৎসব ঘিরে দুর্ঘটনার পাশাপাশি উচ্চ শব্দের লাউডস্পিকার ব্যবহার নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তার ওপর গুরুত্ব দিয়ে থানে উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে গোবিন্দাদের জীবন রক্ষাকে রেকর্ড গড়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্ক করেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
জা.অর্থনীতি/এসআই