Print Date & Time : 07 November 2026 Saturday 06:57 am

ট্রিলিয়ন ডলার দিয়ে মাস্ক কী করতে পারবেন? (ভিডিও)

image

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: এক ট্রিলিয়ন ডলার, সংখ্যাটা শুনতেই মাথা ঘুরে যায়। ইলন মাস্কের হাতে কিছুদিন আগেও এই পরিমাণ অর্থ ছিল। আবারও যদি সত্যিই এই পরিমাণ টাকা চলে আসে, তিনি আসলে কী কী করে ফেলতে পারবেন? চলুন একটা বাস্তব অর্থনৈতিক হিসাব করা যাক।

টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা গত নভেম্বরে অনুমোদন দিয়েছেন এমন এক বেতন প্যাকেজ, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করলে ইলন মাস্ককে দিতে পারে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের টেসলা শেয়ার। এই সংখ্যাটা আসলে কতটা বিশাল, তা বোঝাতে একটা তুলনা দেওয়া যাক। এক ট্রিলিয়ন ডলার দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রায় সব ফুটবল ক্লাব, একাধিক দেশের পুরো জাতীয় বাজেট, এমনকি একাধিক বড় বহুজাতিক কোম্পানি একসঙ্গে কিনে ফেলা সম্ভব।

 

তবে বাস্তবে এই টাকা এক জায়গায় জমা থাকে না। এটা মূলত শেয়ারের আকারে থাকবে, যার মূল্য বাজারের ওঠানামার সঙ্গে বদলাতে থাকবে। যদি মাস্ক এই সম্পদের সামান্য একটা অংশও নগদে রূপান্তর করতে চান, তাহলে বিশাল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করতে হবে, যা নিজেই বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তবে এই সম্পদ দিয়ে মাস্ক সবচেয়ে বেশি যা করতে পারবেন তা হলো, নিজের কোম্পানিগুলোতে আরও বিনিয়োগ চালিয়ে যাওয়া, বিশেষ করে স্পেসএক্সের মঙ্গল অভিযান, এক্সএআইয়ের ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণ আর টেসলার রোবোটিকস প্রকল্পে। কারণ এই ধরনের সম্পদ সাধারণত ভোগবিলাসের চেয়ে বেশি ব্যবহার হয় নিজের প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ প্রকল্পে পুনর্বিনিয়োগে।

তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, এক ট্রিলিয়ন ডলারের মালিক হওয়া মানে ব্যক্তিগত সম্পদের একটা নতুন সীমা পার হওয়া, যা এর আগে ইতিহাসে কোনো ব্যক্তির হাতে ছিল না।

এক ট্রিলিয়ন ডলার পেলে মাস্ক কী করবেন?

এক ট্রিলিয়ন ডলার, সংখ্যাটা শুনতেই মাথা ঘুরে যায়। ইলন মাস্কের হাতে যদি সত্যিই এই পরিমাণ টাকা চলে আসে, তিনি আসলে কী কী করে ফেলতে পারবেন? চলুন একটা বাস্তব অর্থনৈতিক হিসাব করা যাক।

টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন দিয়েছেন এমন এক বেতন প্যাকেজ, যা মাস্ককে দিতে পারে প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের শেয়ার, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে। এই টাকা দিয়ে তাত্ত্বিকভাবে বিশ্বের বহু বড় কোম্পানি, এমনকি একাধিক দেশের বাজেট কিনে ফেলা সম্ভব। কিন্তু বাস্তবে এই টাকা এক জায়গায় জমা থাকবে না, থাকবে শেয়ারের আকারে, যার মূল্য বাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে। বিশাল পরিমাণ শেয়ার একসঙ্গে বিক্রি করলে বাজারেই প্রভাব পড়বে। তাই বাস্তবে এই সম্পদের বড় অংশ যাবে স্পেসএক্সের মঙ্গল অভিযান, এক্সএআইয়ের সম্প্রসারণ আর টেসলার রোবোটিকসে পুনর্বিনিয়োগে। এক কথায়, এক ট্রিলিয়ন ডলার মানে ভোগবিলাস না, বরং আরও বড় বাজি ধরার সামর্থ্য।  

—জা. অর্থনীতি/এলএটি