জাতীয় অর্থনীতি স্পোর্টস: বিশ্বকাপ জিতলে একটা কথা ছিল। কিন্তু লিওনেল মেসি আপ্রাণ চেষ্টা করেও আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি। সে কারণে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাই জেতা হয়নি। ব্যালন ডি’অরও যে জেতা হবে না, সেটা একরকম নিশ্চিত ছিল।
শেষমেশ হলোও তাই। গ্রহের সেরা ফুটবলের খেতাবটা জিতলেন হ্যারি কেইন। লিওনেল মেসির নাম এলো পাঁচ নম্বরে।
আর তাতেই গড়া হয়ে গেল নতুন এক ইতিহাস। তিনি গড়ে ফেললেন এমন এক রেকর্ড, ব্যালন ডি’অর ইতিহাসে যা হয়নি আর কখনো। আউটফিল্ডের খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অরের শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নেওয়া সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন মেসি।
এই পুরস্কারের তালিকা যখন ঘোষণা করা হচ্ছে, মেসির বয়স তখন ৩৯ বছর চার মাস। তাতেই সেরা দশে জায়গা পাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক আউটফিল্ড খেলোয়াড় বনে যান তিনি।
তবে গোলরক্ষকের পজিশনকেও ধর্তব্যে আনা হলে মেসি অবশ্য ব্যালন ডি’অরের সেরা পাঁচে জায়গা করে নেওয়া ‘সবচেয়ে বয়স্ক’ খেলোয়াড়টি থাকেন না। এই রেকর্ডটি দখল করে আছেন ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন।
২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অরে চতুর্থ স্থান দখল করেছিলেন তিনি, তখন বুফনের বয়স ছিল ৩৯ বছর ১০ মাস। তারপর থেকে মেসির চেয়ে বয়সে বড় কেউ ব্যালন ডি’অরের সেরা পাঁচে আসেননি।
২০২৬ সাল মেসির জন্য ছিল রোমাঞ্চে ভরা। তিনি নিজের জাতীয় দলকে টেনে নিয়ে গেছেন বিশ্বকাপের ফাইনালে। কিন্তু শিরোপা জেতা হয়নি। ফাইনালে তারা স্পেনের কাছে হেরে যায়। যদি শেষমেশ আর্জেন্টিনাকে জেতাতেই পারতেন মেসি, তাহলে তিনি তার রেকর্ডটাকে ৯ ব্যালন ডি’অরে উন্নীত করে ফেলতে পারতেন কি না, কে জানে!
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ