বিশেষ প্রতিবেদক: বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে সমন্বিত এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে বিমান পরিবহন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত “Beyond With Boeing: Powering the Next Chapter of Aviation” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজামান মিল্লাত।
নতুন ২১ উড়োজাহাজ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন যাত্রা ইউএস-বাংলার
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে দীর্ঘমেয়াদে আধুনিক, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা। এ উদ্দেশ্যে প্রণয়নাধীন এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান আগামী কয়েক দশকের উন্নয়ন কার্যক্রমের দিকনির্দেশনা দেবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালার মাধ্যমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘আমাদের অঙ্গীকার—নিরাপত্তায় আপসহীন থেকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা’
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বোয়িং ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যৌথ এই আয়োজন দেশের বিমান পরিবহন শিল্পে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে এবং খাতটির বিকাশে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
বক্তব্যে তিনি দেশীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১৩ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, একটি দেশীয় বিমান সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে ইউএস-বাংলা আজ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্সে পরিণত হয়েছে।
এভিয়েশন হাব হতে চায় বাংলাদেশ, লক্ষ্য ২০৩৪
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এমপি, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, বোয়িং কোম্পানি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
—জা.অর্থনীতি/আরএস