২০৩০ সালের সবচেয়ে দামি হবে যে ১০ স্কিল
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

অনলাইন ডেস্ক: ২০৩০ সালের মধ্যে চাকরির বাজারে ডিগ্রির চেয়ে কিছু নির্দিষ্ট দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকবে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি এই গবেষণা বলছে, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশে আগামী দিনে চাকরিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রায় ৪০ শতাংশই বদলে যাবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে প্রায় ৬৩ শতাংশ নিয়োগকর্তা দক্ষ কর্মী না পাওয়াকে তাদের ব্যবসায়িক খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। পরিবর্তনশীল এই বাজার ধরে রাখতে ভবিষ্যতে চাকরির বাজারে শীর্ষ ১০টি দক্ষতা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে।

শীর্ষ ১০টি দক্ষতা হলো- ১. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ২. বিগ ডেটা, ৩. সাইবার নিরাপত্তা, ৪. প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, ৫. পাইথন ও ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট (এসকিউএল), ৬. ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন ও ক্লাউড কম্পিউটিং, ৭. সৃজনশীল চিন্তাভাবনা (ক্রিয়েটিভ থিংকিং), ৮. মানসিক স্থিতিশীলতা ও নমনীয়তা (রেজিলিয়েন্স), ৯. দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা (অ্যাডাপ্টাবিলিটি) এবং ১০. নেতৃত্ব ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।

এসব কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য করসেরা, ইউডেমি, বা এডিএক্স-এর মতো আন্তর্জাতিক অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট কোর্স করা যেতে পারে। এছাড়া পাইথন বা ডেটাবেজ শেখার ক্ষেত্রে নিজের উদ্যোগে ছোট প্রজেক্ট তৈরি এবং প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং ও এআই টুলস প্রতিনিয়ত ব্যবহারের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা বাড়ানো দরকার।

অন্যদিক মানসিক স্থিতিশীলতা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের মতো মানবিক দক্ষতাগুলো বাড়াতে পেশাগত জীবনে জটিল সমস্যা নিজে সমাধানের চেষ্টা করা, নতুন কাজের পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া এবং দলগত কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের সফল ক্যারিয়ার গঠনে প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং মানবিক গুণাবলির সঠিক সমন্বয়ই একজন পেশাদারকে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি