জন্মাষ্টমীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জীবন, দর্শন ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণ তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন তিনি প্রচার করেছেন, তা সব মানুষের জন্যই গভীরভাবে প্রেরণাদায়ক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুশীল রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন থাকা জরুরি। বাংলাদেশে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা সবার দায়িত্ব।

তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। কেউ যেন সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। অত্যাচারী রাজা কংসকে নিধন এবং অন্যায় ও অত্যাচারের অবসানের মধ্য দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার আদর্শের সঙ্গে জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য গভীরভাবে যুক্ত।

জা.অর্থনীতি/এসআই