আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাত নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উপসাগরীয় অঞ্চলে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজকে ‘স্থায়ীভাবে অচল’ এবং গালফ অব ওমানে থাকা আরেকটি জাহাজকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজগুলো ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ও তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের অর্থায়নে ব্যবহৃত একটি ‘শ্যাডো নেটওয়ার্কের’ অংশ।
এর আগে আইআরজিসি একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে হামলা চালালেও সেগুলো এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে জানিয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।
পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান তিনটি মার্কিন-সংশ্লিষ্ট জাহাজ এবং হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। তেহরানের ভাষ্য, ওই তিন ট্যাংকার ‘অননুমোদিত’ পথে চলছিল।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি সংঘাতের কারণে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এই পথে আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন হতো।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে ব্যাপক হামলার মধ্য দিয়ে বর্তমান সংঘাত শুরু হয়। এরপর থেকে ইরানের পাল্টা হামলা ও হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামও বেড়েছে।
সূত্র: বিবিসি
জা.অর্থনীতি/এসআই
