আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন বাহিনীর পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের পর হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে।
আইআরজিসির দাবি, হামলার শিকার জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি মার্কিন জাহাজ ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকার রয়েছে। জাহাজগুলোকে ‘নিয়ম না মানা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তারা। হামলায় অন্তত একজন নাবিক নিহত ও একজন নিখোঁজ হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তাদের জাহাজে চালানো সব হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে ইরাকি জলসীমায় প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল বহনকারী একটি ট্যাংকারেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও ঘটেনি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, ইরানি বাহিনী মার্কিন নৌযানে হামলার চেষ্টা করায় পাঁচটি ইরানি ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। ওয়াশিংটন সতর্ক করেছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে হামলার প্রতিটি চেষ্টার জবাবে ইরানের আরও ট্যাংকার ধ্বংস করা হবে।
জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে। দেশটি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা আরও বিস্তৃত করার ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরব ও হুতিদের সংঘাতও তীব্র হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
জা.অর্থনীতি/এসআই
