অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলায় কি এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে চাইছেন থালাপতি বিজয়? পূর্ব বর্ধমানে খুলে গেল তার দল ‘টিভিকে’ র প্রথম রাজ্য কার্যালয়। তবে, এখনই ভোটের ময়দানে নয়, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে জনসংযোগে জোর দিচ্ছে দলটি। প্রায় পাঁচ হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে বাংলায় দলটির সংগঠন কার্যক্রম।
দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে এবার বাংলায় পা রাখল দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাজাঘম’ বা টিভিকে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে দলটির প্রথম রাজ্য কার্যালয়। তামিলনাড়ুতে সাফল্যের পর এবার বাংলার মাটিতেও নিজেদের শিকড় ছড়াতে শুরু করেছে টিভিকে! তবে, রাজনীতিতে নামার আগে অন্যভাবে মানুষের মন জয় করতে চায় দলটি।
পশ্চিমবঙ্গের কো-অর্ডিনেটর চৈতালি রায় জানিয়েছেন, আপাতত ভোটের ময়দানে নামার চেয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মতো জরুরি বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে চান তারা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পাঁচ হাজার সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি ধাপে ধাপে বাংলার প্রতিটি কোণায় সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনতে চায় টিভিকে।
আগামী দিনে বাংলার কোনো নির্বাচনে দলটি লড়বে কি না, তা নির্ভর করবে সাধারণ মানুষের ইচ্ছার ওপর। আর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলায় রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারের এই উদ্যোগে থালাপতি বিজয়ের দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
এবার বাংলায় বিজয়ের দল?
দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলায় কি এবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে চাইছেন থালাপতি বিজয়? পূর্ব বর্ধমানে খুলে গেল তার দল ‘টিভিকে’ র প্রথম রাজ্য কার্যালয়। তবে, এখনই ভোটের ময়দানে নয়, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে জনসংযোগে জোর দিচ্ছে দলটি। প্রায় পাঁচ হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে বাংলায় দলটির সংগঠন কার্যক্রম।
পশ্চিমবঙ্গে থালাপতির ‘টিভিকে’ কার্যালয়!
দক্ষিণ ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে এবার বাংলায় পা রাখল থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে! পূর্ব বর্ধমানের ফাগুপুরে খুলেছে দলটির প্রথম রাজ্য কার্যালয়। তবে, আপাতত নির্বাচনে লড়াইয়ের চেয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের অভিযোগ শুনতে চায় টিভিকে।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি