Print Date & Time : 08 November 2026 Sunday 10:02 am

শ্রীমঙ্গলে ৩ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ

image

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অবৈধভাবে আমদানিকৃত পণ্য পাচার রোধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন এলাকা থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ শাড়ি ও কসমেটিকস জব্দ করেছে যৌথ টাস্কফোর্স।

শনিবার (২২ আগস্ট)  রাতে দিকে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি), হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি), র‍্যাব ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশন এলাকা দিয়ে ভারতীয় অবৈধ পণ্য পাচারের তথ্য ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ টাস্কফোর্সের একটি চৌকস আভিযানিক দল রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থান নেয়। 

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কড়া নজরদারির মধ্যেও অনুপ্রবেশ, আটক ৪৪

অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুবুল হক। এ সময় জেলা প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম।

অভিযানকালে রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে জব্দকৃত মালামালের সিজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, অবৈধভাবে আমদানি ও পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা এসব পণ্য আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ‘বোমা হোসেন’ গ্রেপ্তার, নিজ বাড়ি থেকে ককটেল উদ্ধার

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

একই সঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিজিবির মতে, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতেই চোরাচালান অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা বলছেন, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশীয় শিল্প রক্ষা পাবে এবং সরকারের রাজস্ব ফাঁকিও কমবে।

—জা. অর্থনীতি/এনজে