গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কৃষক পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে বাড়িতে অবৈধভাবে মজুত রাখা ৪৭ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে সার মজুতদারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডীপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কাইয়ুম চৌধুরী।
অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম সুজন মিয়া (৩৫), তিনি ওই গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চণ্ডীপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী গ্রামে সুজন মিয়ার বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত করার গোপন সংবাদ পায় প্রশাসন। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে সকালে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়। তল্লাশিকালে সুজনের বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৭ বস্তা ইউরিয়া, ২০ বস্তা ডিএপি ও ২০ বস্তা টিএসপিসহ মোট ৪৭ বস্তা সার উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। সার মজুতের অপরাধে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ জানান, নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই। জনস্বার্থে এ ধরনের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, "জব্দকৃত সারগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় একজন অনুমোদিত ডিলারের হেফাজতে রাখা হয়েছে। সুবিধাজনক সময়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে এসব সার সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হবে।"
—জা. অর্থনীতি/এলএটি