জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আদনান আজাদ ও হাসমত আলীকে সংবর্ধনা
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬ পাওয়া আদনান আজাদ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫ পাওয়া অধ্যাপক মো. হাসমত আলীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ)।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বিবিসিএফ ও সেভ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার (সোয়ান) যৌথভাবে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিবিসিএফের সভাপতি ড. নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিভিন্ন পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংগঠনের প্রতিনিধি, গবেষক ও স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সংরক্ষণে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের অবদান জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ায় নতুন প্রজন্ম উৎসাহিত হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী, গবেষক ও তরুণদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

আদনান আজাদ বলেন, জাতীয় পুরস্কার তাঁর একার অর্জন নয়; দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে কাজ করা অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী ও সহকর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি এটি। শুধু বন্যপ্রাণী উদ্ধার নয়, মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে মানুষের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক মো. হাসমত আলী বলেন, একটি গাছ, পাখি, প্রজাপতি কিংবা ছোট জলাভূমিও বড় বাস্তুতন্ত্রের অংশ। শিক্ষার্থী ও তরুণদের প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত করে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করতে হবে। জাতীয় পরিবেশ পদক তাঁকে আরও দায়িত্বশীল করেছে বলেও জানান তিনি।

বিবিসিএফের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোল্যা রেজাউল করিম, আইইউসিএন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সারোয়ার আলম দিপু, ড. এস এম ইকবাল, বাপ্পি খান, অধ্যাপক টিপু সুলতান, কৃষিবিদ শহিদুর রহমান ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. আতিকুর রহমান মিঠু বক্তব্য দেন।

ড. নাছির উদ্দিন বলেন, বিবিসিএফের ৩১৪টির বেশি সংগঠন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছে। জাতীয় পর্যায়ে আদনান আজাদ ও হাসমত আলীর স্বীকৃতি দেশব্যাপী সংরক্ষণকর্মীদেরও সম্মানিত করেছে। মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সংরক্ষণকর্মীদের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যুক্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।

—জা.অর্থনীতি/আরএস