৩৮ দেশকে পেছনে ফেলে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের হাফেজ হিরা
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক:

 

বিশ্বমঞ্চে আবারও ওড়ল বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা! কোনো রানার্স-আপ কিংবা দ্বিতীয় স্থান নয়, বিশ্বের ৩৮টি দেশের বাঘা বাঘা প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এবার সরাসরি প্রথম স্থান ছিনিয়ে নিলেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা! মালয়েশিয়ার বুকে বিশ্বজয়ের এই গৌরবময় ইতিহাস গড়লেন ঢাকার মিরপুরের এক মাদরাসার শিক্ষার্থী। কী কী পুরস্কার পেলেন তিনি?

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বসেছিল বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতার ৬৬তম আসর। গত ৬ই অক্টোবর এই জমকালো প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছিলেন খোদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

বিশ্বের শতাধিক দেশ থেকে কয়েক ধাপের কঠোর বাছাই পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে লড়ার সুযোগ পান মাত্র ৩৮টি দেশের সেরা প্রতিযোগীরা। আর সেই চূড়ান্ত মঞ্চেই, হিফজুল কোরআন বিভাগে সবাইকে ছাড়িয়ে যান আমাদের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা। ১০ই অক্টোবর (শনিবার) পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে হিরার হাতে বিশ্বসেরার পুরস্কার তুলে দেন দেশটির ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ডক্টর জুলকিফলি হাসান।

বিশ্বমঞ্চে এই অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে হাফেজ হিরা পেয়েছেন-নগদ ৪০ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত, সঙ্গে একটি চোখ ধাঁধানো সম্মাননা ট্রফি। এখানেই শেষ নয়, আধ্যাত্মিক উপহার হিসেবে থাকছে ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরাহ অথবা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের খাঁটি স্বর্ণের বার!

হাফেজ হিরার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ‘মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার’। এর আগে, আন্তর্জাতিক অঙ্গন কাঁপানো হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ এবং সাদ নুরের মতো বিশ্বসেরা প্রতিভারা এই একই মাদরাসার ছাত্র ছিলেন! সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তুরস্ক কিংবা কুয়েত-এমন কোনো দেশ নেই যেখানে এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনেনি।

৩৮ দেশকে হারিয়ে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের হিরা

বিশ্বমঞ্চে আবারও ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ! মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা! বিশ্বের ৩৮টি দেশের সেরা প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে হিফজুল কোরআন বিভাগে বিশ্বসেরা হন ঢাকার মিরপুরের মারকাযু ফয়জিল কুরআনের এই শিক্ষার্থী। পুরস্কার হিসেবে হিরা পেয়েছেন নগদ ৪০ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত, একটি সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিতের ওমরাহ প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের একটি খাঁটি স্বর্ণের বার!  

—জা. অর্থনীতি/এলএটি