নিজস্ব প্রতিবেদক: টেলিকম টাওয়ার পরিচালনা ও বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে ইডটকো বাংলাদেশ। দীর্ঘমেয়াদে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং জ্বালানি ব্যবহারে বৈচিত্র্য আনার অংশ হিসেবে নবায়নযোগ্য এই জ্বালানি উৎপাদনে ফ্লোসোলার সলিউশনস লিমিটেডের সঙ্গে এক চুক্তি সই করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রস্তাবিত মডেলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে ইডটকোর পরিচালনা ব্যবস্থায় সরবরাহ করা হবে। ১০০ মেগাওয়াট পিক উৎপাদনক্ষমতার সৌরভিত্তিক কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১৩০ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলবে। এতে বছরে প্রায় ৮০ হাজার টন ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে।
চুক্তির আওতায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, গ্রিড সংযোগ এবং অর্থায়নের দায়িত্ব সামলাবে ফ্লোসোলার। ফলে ইডটকোকে শুরুতে কোনো মূলধনি বিনিয়োগ করতে হচ্ছে না। বিপরীতে উপযুক্ত স্থান চিহ্নিতকরণ ও বিদ্যুতের চাহিদা নিরূপণে সহায়তা দেবে ইডটকো।
ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ জানান, টেলিকম অবকাঠামোর বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের উৎসটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই ব্যবহার টাওয়ারের দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও কার্যদক্ষতা বাড়াবে।
অন্যদিকে ফ্লোসোলার সলিউশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা আজিম কাসেম খান বলেন, নিরবচ্ছিন্ন টেলিকম সেবায় পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত এই কাঠামো দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট ধারণা দেবে।
