শূন্য রানেই ৩ উইকেট! বাংলাদেশের তোপে ইতিহাসের লজ্জায় অস্ট্রেলিয়া
সংগৃহীত ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক: শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে চরম চাপে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। রানের খাতা খোলার আগেই তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিরল এক রেকর্ডের সাক্ষী হয়েছে দলটি।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক জশ ইংলিস। তবে ইনিংসের শুরু থেকেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপে দিশেহারা হয়ে পড়ে সফরকারীরা।

প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। আগের ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট পেলেও এবার তৃতীয় বলেই আঘাত হানেন তিনি। ওপেনার ম্যাথু শর্ট প্রথম কয়েকটি বল সামাল দিলেও ভেতরে ঢুকে আসা দারুণ এক ইনসুইং ডেলিভারিতে স্টাম্প হারান। প্রথম ম্যাচেও অফ স্টাম্পের বাইরে করা তাসকিনের একটি বল ছেড়ে দিয়েছিলেন শর্ট, পরে ইনসুইংয়ে বোল্ড হয়েছিলেন তিনি।

তাসকিনের আঘাতের পর দ্বিতীয় ওভারে আরও বড় ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমান ওভারের প্রথম বলেই ফেরান কপার কুনোলিকে। তার ক্যাচ নেন উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাস। একই ওভারে ম্যাট রেনশকেও লিটনের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন বাঁহাতি এই পেসার।

ফলে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। শর্ট, কুনোলি ও রেনশ—তিনজনই সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে প্রথম ঘটনা, যেখানে দলটি রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম তিন উইকেট হারিয়েছে। এর আগে কখনও ৫ রানের কমে প্রথম তিন ব্যাটারকে হারানোর নজির ছিল না তাদের।

অস্ট্রেলিয়ার আগের সর্বনিম্ন স্কোরে তিন উইকেট হারানোর রেকর্ড ছিল ২০০৬ সালে কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, সেবার ৫ রানে তিন উইকেট পড়েছিল। এছাড়া ২০২২ সালে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬ রানে তিন উইকেট হারিয়েছিল দলটি।

তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে এবার সেই সব রেকর্ড ভেঙে নতুন এক লজ্জার অধ্যায় যোগ হলো অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে ইতিহাসে। একই সঙ্গে প্রথম চার ব্যাটারের মধ্যে তিনজনের শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনাও এই প্রথম দেখল অজিরা।

—জা. অর্থনীতি/এআইই