তীব্র তাপে ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল জনজীবন
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

নীলফামারী প্রতিনিধি: ভরা বর্ষা মৌসুমে যেন গ্রীষ্মের ছোঁয়া। ভ্যাপসা গরম আর তীব্র তাপে নাজেহাল হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া জনজীবন। প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছে না। দুপুরের দিকে অনেক হাটবাজার ফাঁকা এবং তপ্ত রোদে সড়কে যাত্রীদের আনাগোনা নেই। আবহাওয়াবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট কারণে প্রকৃতি বিরূপ আচরণ করছে।

রোববার (৫ জুলাই) নীলফামারী সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বেলা ২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে মানুষ অনুভব করেছে প্রায় ৪৬ ডিগ্রির মতো। এর আগে শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমে শিশু, কিশোর ও বয়স্করা জ্বর-সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং হাসপাতালে গরমজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

এই গরমে দিনমজুর ও শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে কাজ করে চলেছেন। রিকশা চালক মো. মামুন মিয়া জানান, পেটের দায় ও এনজিওর ঋণ পরিশোধে রিকশা নিয়ে বের হতে হয়েছে, পরিবার পরিজনের অন্ন তুলে দিতে রোদ-বৃষ্টি সবই সমান। সদরের বড় বাজারের তরকারি বিক্রেতা সুমন জানান, জীবন সংসার সংগ্রাম চালানোর জন্য এই গরমে পুড়ছেন, গরীব হয়ে জন্মানোয় এই রোদ-তাপ কোনোটিই দমিয়ে রাখতে পারে না।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি