মালচিং পদ্ধতিতে চাষ: এক মৌসুমেই প্রায় ২৫ কোটি টাকা বাণিজ্যের আশা
ছবি: এআই জেনারেটড

আশেক মান্নান হিমেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আধুনিক 'মালচিং' পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে এক মৌসুমেই প্রায় ২৫ কোটি টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং ভাল দাম পাওয়ায় এ পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো আবাদের দিকে ঝুঁকছে তারা। 

কৃষকদের মতে, মালচিং পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হলো—এটি মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ঝড়-বৃষ্টি থেকে ফসল রক্ষা করে এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেকটাই কমায়। এতে ফলন হয় বেশ!

আরও পড়ুন: যে কারণে তাড়াইলে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি

তারা জানান, প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। বিঘা প্রতি ফলন পাওয়া যাবে প্রায় ৪ মেট্রিকটন। সব খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি লাভ হবে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবার উপজেলায় প্রায় ৮০ হেক্টর জমিতে এ পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় প্রায় ২৮০০ থেকে ৩২০০ টন গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদিত হবে। বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

এসব তথ্য জানিয়ে নাসিরনগন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন আবাদ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাসহ চলতি মৌসুমে নাসিরনগর উপজেলায় প্রায় ২৫ কোটি টাকার টমেটো উৎপাদনের আশা প্রকাশ করেন।