আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে সৌদি আরবকে কারিগরি সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন পূরণে আঙ্কারা প্রস্তুত রয়েছে।
শনিবার তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুতর হামলা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তুরস্ক রিয়াদের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের চুক্তিতে একটি জোটের বিষয় রয়েছে। তাদের কিছু সামরিক প্রয়োজন থাকতে পারে, বিশেষ করে কারিগরি বিষয়ে। এসব প্রয়োজন পূরণে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’
গত মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
শনিবার হুথিরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে সৌদি রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরের কাছে আগুনের শিখা ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।
ফিদান বলেন, সৌদি আরবকে বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে দেওয়া উচিত নয়। যুদ্ধ বন্ধে তুরস্ক সব পক্ষের কাছে কিছু প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে এসব প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি।
তিনি আরও বলেন, সংঘাতের অর্থনৈতিক পরিণতি ক্রমেই অসহনীয় হয়ে উঠছে।
এদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, হুথি হামলার পর মক্কা চুক্তির আওতায় সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি।
জা.অর্থনীতি/এসআই