জার্নালের দ্বিতীয় ভলিউম প্রকাশ করল বাংলাদেশ হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্কিওলজি রিসার্চ সোসাইটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্কিওলজি রিসার্চ সোসাইটির জার্নালের দ্বিতীয় ভলিউম প্রকাশ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় সংগঠনটির ঢাকার সাভারের  নিজস্ব কার্যালয় গৈরিক-এ বিশেষ সেমিনার ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সেলিমা রহমান ট্রাস্ট ফান্ডের ট্রাস্টি গোলাম মোস্তফা মহসিন। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী ২৩ জন ফেলোও উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজনের শুরুতে সম্প্রতি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী চার গবেষককে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর বাংলাদেশ হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্কিওলজি রিসার্চ সোসাইটির জার্নালের ভলিউম-২-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

জার্নাল প্রকাশ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে সংগঠনটির দুটি জার্নাল প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে, যা আনন্দের বিষয়। এরই মধ্যে জার্নালটি আইএসএসএন এবং ডিওআই (ডিজিটাল অবজেক্ট আইডেন্টিফায়ার)  নম্বর পেয়েছে। জার্নালের প্রকাশিত দুটো ভলিউমের নিবন্ধসমূহে ডিওআই নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। এতে গবেষণাপত্রের স্থায়ী শনাক্তকরণ, অনলাইনে সহজে খুঁজে পাওয়া এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার যোগাযোগ ও উদ্ধৃতিযোগ্যতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা জার্নালটি পড়ার পাশাপাশি প্রকাশিত গবেষণাপত্র নিয়ে মতামত ও পর্যালোচনা করতে পারবেন। জার্নাল প্রকাশের পাশাপাশি সংগঠনটি বিভিন্ন বিষয়ে ছয়টি সেমিনার আয়োজন করেছে। ভবিষ্যতে গবেষণা ও জ্ঞানচর্চাকে কেন্দ্র করে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ‘মধ্যযুগে বাংলার লৌহ শিল্প: ব্যবহার ও বিকাশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাখলু জাতুল আকমাম।

প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর বিষয়টির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত গবেষক ও অতিথিরা অংশ নেন। এতে সেমিনারটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ হিস্ট্রি অ্যান্ড আর্কিওলজি রিসার্চ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক  ড. আরেফিনা বেগম।

—জা.অর্থনীতি/আরএস