শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনের অপসারণের দাবিতে ২৩ দিন ধরে আন্দোলন করছেন প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (৪ অক্টোবর) বিক্ষোভ সমাবেশ ও শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। প্রতিদিনই কোনো না কোনো কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইনচার্জের অনিয়ম, অসদাচরণ, হয়রানি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে ইনচার্জকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, সামনে তাদের পরীক্ষা। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস ব্যাহত হওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। আন্দোলন বন্ধ করতে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
পাবনায় ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসায় বিক্ষোভ
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিন। তিনি বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নার্সসংকট দেখা দিয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
শিক্ষার্থীরা জানান, দ্রুত তাদের দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। এমনকি অনশন কর্মসূচিতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন দৈনিক জাতীয় অর্থনীতিকে বলেন, আমার কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছিল, আমি তদন্ত কমিটি করে তদন্ত প্রতিবেদন গত সপ্তাহে ডিসিএনএম বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
—জা.অর্থনীতি/এনজে