ভালুকায় সরকারি নিয়ম না মেনে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া এলাকায় প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) ছাড়াই পাঁচতলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই জমির পাশ্ববর্তী জমির মালিক স্থানীয় বাসিন্দার মো. মোস্তফা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করছেন। অভিযোগের পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকবাল হোসাইন ভবন নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। 

২৯ এপ্রিল তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগকারী মো. মোস্তফা উপজেলার জামিরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

প্রাথমিক ভাবে অনাপত্তিপত্র না নিয়েই নির্মাণ কাজ শুরু করেন শামসুদ্দিন গংরা, মোস্তফার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তখন সহকারী কমিশনার ভুমি কাজ বন্ধ করলে তারা এনওসি নেন, এবং এলজিইডি থেকে নির্ধারিত ড্রয়িং করে নেন, শামসুদ্দিন মিয়া ড্রয়িং অনুযায়ী কাজ করেনি সে তার মন মত কাজ করছেন। 

স্থানীয়দের সূত্র দিয়ে জানা যায়, উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া মোড়ে রোমান ফ্যাক্টরির সামনের পূর্ব পাশে জমি কিনেছেন প্রবাসী শামছু মিয়া। তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করায় তার পক্ষে বড় ভাই মো. আজিজুল নির্মাণকাজ তদারকি করছেন। অভিযোগকারীর দাবি, বহুতল ভবন নির্মাণে প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণ না করে সীমানা ঘেঁষে ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবনের চারপাশে নির্ধারিত ফাঁকা জায়গা রাখা হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও নির্মাণকাজ বন্ধ করা হয়নি। এ অবস্থায় সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন মো. মোস্তফা।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্ত করে উপজেলা ভূমি অফিস। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়, জামিরদিয়া মৌজার ওই স্থানে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়া যায়নি। তাই প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও এনওসি না পাওয়া পর্যন্ত ভবন নির্মাণের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিবাদী শামসুদ্দিন বিদেশে থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি, তার ভাই আজিজুল হক জানান আমি নিয়ম মেনেই কাজ করছি সে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন জানান ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একই সঙ্গে আদেশে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। 

—জা. অর্থনীতি/এলএটি