রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন
বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা।
বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি ৮ লাখ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
জলবায়ু-সহনশীল, জ্বালানি-নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কার্যকর আইন প্রণয়ন, সংসদীয় তদারকি জোরদার এবং বাজেট বরাদ্দে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর...
বিদ্যুৎ ও ডিজেলের উচ্চমূল্যের কারণে কৃষকের সেচ ব্যয় কমাতে দেশের সব ডিপ ও শ্যালো সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরশক্তিচালিত পাম্পে রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী...
টেকসই জ্বালানি ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলা পরিষদের স্থাপনায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা...
নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ সালের মধ্যে এসব...
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা আরও বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সুবিধার ফলে এসব পণ্য আমদানিতে মোট করভার ১৭...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেচকাজে ব্যবহৃত সব ডিজেলচালিত পানির পাম্প পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ক্রমবর্ধমান নগরায়নের ফলে দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে...
প্রতিষ্ঠানটির এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৪৫ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যার বড় অংশই চুক্তিভিত্তিক কৃষিকাজের মাধ্যমে গড়ে উঠবে।