দিলু খন্দকার: আমরা যখন বেড়ে উঠছি, যখন ফুটবলটা বুঝতে শিখেছি, সেটা ছিল ব্রাজিলের যুগ। সেই থেকে আমি কী করে আর্জেন্টিনার সমর্থক হলাম? আসলে আমার আর্জেন্টিনার সমর্থক-ভক্ত হওয়ার পেছনে একটা মানুষ, একটা খেলোয়াড়ই কাজ করেছেন। আমার মতো সারা পৃথিবীর হাজার হাজার মানুষকে যিনি আর্জেন্টিনার ফুটবল ভক্ত বানিয়েছেন, বানিয়েছেন— সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলের ভক্ত ফুটবলার ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা।
একেবারে ছোটবেলায় আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিলাম না, সে প্রশ্ন আসেও না। আসলে আমি প্রথম একই সঙ্গে দুটি দলের ভক্ত হয়ে গেলাম— জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস ১৯৭৪ সালের ঘটনা। সেবার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি প্রথম সরাসরি দেখানো হলো বিটিভিতে। দেখলাম বেকেনবাওয়ার ও ক্রুয়েফের খেলা।
তখন ‘পূর্বদেশ’ নামে একটি পত্রিকা বিশ্বকাপ ফুটবলটা দারুণভাবে কাভার করছিল। সেই পত্রিকার রিপোর্টিং পড়ে, বিশেষজ্ঞদের লেখা পড়ে এবং ফাইনালে দুদলের খেলা দেখে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসের ভক্ত হয়ে গেলাম। তখন ভাবতাম, সারা জীবন এ দু’দলের ফুটবলকেই সমর্থন করে যাব। কিন্তু সবকিছু বদলে দিল তখনকার এক বিস্ময়কর বালক-ম্যারাডোনা।
অবশ্য ম্যারাডোনার আগেই আর্জেন্টাইন ফুটবলের খানিকটা ভক্ত আমাকে বানিয়ে ফেললেন প্যাসারেলা ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনা জিতে নিল এ লম্বা চুল তারকার দাপটে । কাঁধ ছাড়ানো লম্বা চুল ফুটবলাররা তখন আমাদের কাছে এক বিরাট তারকা। ঢাকায় এক লম্বা চুল তারকা সালাউদ্দিনকে এক পলক দেখার জন্য আমরা পাগল। তখনই ১৯৭৮ বিশ্বকাপে প্যাসারেলার এই কীর্তি আমাকে খানিকটা ভক্ত করে ফেলল।
তবে আসল কাজটা হলো পরের বছর, ১৯৭৯ সালে। জাপানে ফিফা যুব বিশ্বকাপ জিতল আর্জেন্টিনা ম্যারাডোনা নামে ক্ষুদে এক ফুটবলারের অধিনায়কত্বে। সে আবার ওই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ও হলো। মনে আছে, কোনো একটা পত্রিকায় লেখা হয়েছিল— একজন পেলে ও একজন ক্রুয়েফকে যোগ করলে যা হয়, সেই রকম ক্ষমতা নিয়ে ফুটবল দুনিয়া কাঁপাতে আসছে একজন ম্যারাডোনা। এ কথা পড়ার পরই আমি পাগল হয়ে গেলাম— এ ম্যারাডোনাকে আমার দেখতে হবে।
এর মধ্যে ১৯৮৬ বিশ্বকাপ চলে এলো। আমিও ততদিনে পুরোদস্তুর ক্রীড়া সাংবাদিক হয়ে উঠছি। পেশাদার সাংবাদিকতা শুরু করলাম ১৯৮৭ সালে। তার আগে ১৯৭৯ সাল থেকেই প্রেসবক্সে যাতায়াত করি বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখির সুবাদে। খেলাধুলায় এ পাগলামির মতো আগ্রহের কারণেই বিদেশ থেকে আত্মীয়স্বজনরা বিভিন্ন ক্রীড়া পত্রিকা কিনে পাঠিয়ে দেন। আর সেগুলো পড়ে পড়ে আমি আরও বেশি ম্যারাডোনা-পাগল হয়ে উঠি। ১৯৮৬ সালে আমার ধারণা এ মানুষটি একসঙ্গে পুরো দুনিয়াকে পাগল বানিয়ে ফেলল। ম্যারাডোনার আগে-পরে ভালো ফুটবলার, গ্রেট ফুটবলার অনেক এসেছেন। কিন্তু একটা মানুষ একটি দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে ফেলবে; টানা দুবার ফাইনালে করেনি। তুলে নিয়ে আসবে— এটা এর আগে কেউ কল্পনাও করা হয়েছিল। ফলে আমার বিশ্বকাপ কাভার করতে কলেজ ক্যাম্পাসকে আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পে পরিণত যাওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে উঠল। আরও আনন্দ পেলাম কলকাতার সাংবাদিক রূপক সাহার সৌজন্যে। সে পরিচয় করিয়ে দিল সার্জিও লেভনস্কি নামে এক আর্জেন্টাইন সাংবাদিকের সঙ্গে; যে নাকি ম্যারাডোনার সার্জিও আমার কাছ থেকে আমার এবং বাংলাদেশের বেশ ঘনিষ্ঠ। মানুষের ম্যারাডোনা-বিষয়ক উন্মত্ততার কথা শুনে বলল, ‘যে কোনোভাবেই হোক না কেন, তোমাকে আমি ম্যারাডোনার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেব। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ চলে এলো; গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচ— আমরা যারা ক্লাব ফুটবলে তার অতি মানবীয় পারফরম্যান্স ফলো করতাম, তারাও ছিয়াশিতে হতভম্ব হয়ে গেলাম— এ কী করল সে! আমি এখনও বিশ্বাস করি, এ পৃথিবী নামক গ্রহের আর কোনো ফুটবলারের পক্ষে দ্বিতীয়বার এ কাজ করা সম্ভব হবে না। একা একটি দলকে কিচ্ছু না থেকে বিশ্বসেরায় পরিণত করা সম্ভব হবে না। সেটা পারে একমাত্র ম্যারাডোনাই। ছিয়াশিতেই সিদ্ধান্ত নিলাম, এ ম্যারাডোনাকে আমার দেখতে হবে। এ ম্যারাডোনাকে আমি একবার সামনে থেকে দেখতে চাই, স্পর্শ করতে চাই, কথা বলতে চাই। পরবর্তী সময়ে আমার এ ইচ্ছাগুলো একাধিকবার পূর্ণ হয়েছে। তার আগে কিছু স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনাও আছে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপেও খেলা দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। সেবার বিশ্বকাপ ইতালিতে; আর আমি তার আগে আগে আইসিসি ট্রফি কাভার করতে নেদারল্যান্ডসে। ভেবেছিলাম, নেদারল্যান্ডস থেকে সরাসরি ইতালি চলে যাব। অকপটে বলি, তখন আসলে এ অ্যাক্রেডিটেশনের ব্যাপারটা ঠিক বুঝতাম না। নেদারল্যান্ডসে গিয়ে ইতালিয়ান অ্যাম্বাসিতে বললাম— বিশ্বকাপ কাভার করতে যেতে চাই। তারা বলল, তুমি এখন যদি তোমাদের অ্যাম্বাসি থেকে একটা ভারবাল নোট আনতে পার যেতে পার। বিস্তারিত এখানে না বলি। ভারবাল নোট আনলাম কিন্তু নোটে কাটাকাটি থাকায় ইতালির ভিসা হলো না। নব্বই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখলাম আমস্টারডাম, রটেরডাম এবং ফাইনাল ইংল্যান্ডের নটিংহামে; সবই জায়ান্ট স্ক্রিনে। নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডের সেই ফুটবল-পাগল হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে দাঁড়িয়ে আরেকবার ম্যারাডোনার জাদু দেখতে দেখতে বুঝলাম, এ ম্যারাডোনা, এ আর্জেন্টিনা শুধু আমাকে নয়, পুরো দুনিয়াকেই পাগল বানিয়ে ফেলছে। নটিংহামে বসে দেখলাম, এ ফুটবল জাদুকরের পরাজয়। একা একা বিরুদ্ধ স্রোতে লড়তে থাকা একজন মানুষ শেষ পর্যন্ত ষড়যন্ত্র আর পক্ষপাতের কাছে হার মানতে বাধ্য হলো। সেই কষ্ট ভোলার নয়। তারপরও নব্বইয়ের বিশ্বকাপ আমাকে আরও বেশি আর্জেন্টিনামুখী আরও বেশি ম্যারাডোনা-ভক্ত বানিয়ে ফেলল। ১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের অনেক আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিলাম এবার ম্যারাডোনাকে আমার দেখতে যেতেই হবে। ফুটবল ফেডারেশনের মাধ্যমে অ্যাক্রেডিটেশনের ফরম পেলাম। আমার এক খালার মাধ্যমে সেটা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েও দিলাম। যেদিন নিশ্চিত হলো আমি অ্যাক্রেডিটেশন পেয়ে গেছি; তারপর থেকে বোস্টনে পৌঁছানো পর্যন্ত যেন একটা ঘোরের মধ্যে কাটল। বোস্টনে আমার খালার বাসার একটু দূরেই একটি কলেজ ক্যাম্পাসকে আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পে পরিণত না করা হয়েছিল। ফলে আমার বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে উঠল। আরও আনন্দ পেলাম কলকাতার সাংবাদিক রূপক সাহার সৌজন্যে। সে পরিচয় করিয়ে দিল সার্জিও লেডনস্কি নামে এক আর্জেন্টাইন সাংবাদিকের সঙ্গে; যে নাকি ম্যারাডোনার বেশ ঘনিষ্ঠ।
সার্জিও আমার কাছ থেকে আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের ম্যারাডোনা-বিষয়ক উন্মত্ততার কথা শুনে বলল, ‘যে কোনোভাবেই হোক না কেন, তোমাকে আমি ম্যারাডোনার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেব।’ এর মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ চলে এলো; গ্রিসের বিপক্ষে ম্যাচ।
গ্যালারিতে যেদিকে দুই চোখ যায়, শুধু আকাশি রঙের জার্সি। আরে এ যেন আকাশি রঙের আর্জেন্টিনার সমুদ্রের মাঝে এসে পড়েছি। কিছু গ্রিস সমর্থক যে নেই, তা নয়। কিন্তু তাদের কারও কোনো আওয়াজ টের পাওয়া যাচ্ছে না। ফক্সবোরো স্টেডিয়ামে সেদিন একটাই আওয়াজ— ডিয়েগো, ডিয়েগো। এই প্রবল চিৎকারের মধ্যে মাঠে নামল দু’দল। ম্যাচে কী হয়েছিল, না হয়েছিল, সেটা আমার কাছে খুব বড় কথা নয়; ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
আমার কাছে বড় ব্যাপার ছিল, আর্জেন্টিনাকে চোখের সামনে খেলতে দেখলাম, চোখের সামনে দেখলাম সর্বকালের সেরা ফুটবলারের খেলা! ওই ম্যাচের পরই সেই সার্জিও আমাকে ডেকে নিয়ে বলল, ‘আগামীকাল সকালে বোস্টনে ওপেন ডোর প্র্যাকটিস করবে আর্জেন্টিনা। ম্যারাডোনার সঙ্গে তোমার কথা বলিয়ে দেব।’
পরদিন সকালে আমার নিউইয়র্ক রওনা হওয়ার কথা অন্য একটি ম্যাচ কাভার করার জন্য। কীসের কী! ম্যারাডোনার সঙ্গে কথা হবে। সারাটা রাত ঘুম হলো না। শুধু এপাশ ওপাশ করে রাত কাটালাম— কখন ভোর হবে, কখন ম্যারাডোনাকে দেখব। ১০টায় প্র্যাকটিসে ঢুকতে দেবে; আমি ৯টায় পৌঁছে গেলাম। গিয়ে দেখি হাজার সাংবাদিকের ভিড়। ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করার পর ভেতরে ঢুকলাম ।
হায় রে। সবাই আছে, ম্যারাডোনা নেই। সার্জিও বলল, অপেক্ষা কর, আসবে। কেউ বাতিস্তুতা, কেউ ক্যানিজিয়ার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। আমি কারও কাছেই যাচ্ছি না। অপেক্ষা করে আছি, ম্যারাডোনা কখন আসবেন। হঠাৎ দেখি সব ফটোগ্রাফাররা ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে। ব্যাপার কী? ম্যারাডোনা আসছেন।
এক হাতে একটি টেনিস বল, আরেক হাতে লেমন ড্রিঙ্ক; বল লোফালুফি করতে করতে এলেন তিনি। আমরা সম্মোহিতের মতো চেয়ে আছি। দক্ষিণ আমেরিকার একটি টেলিভিশন চ্যানেল লাইভ সাক্ষাৎকার প্রচার করল। অনুশীলনে চলে গেলেন ম্যারাডোনা। আমরা ঘোর লাগা চোখে দেখছি ম্যারাডোনা চোখের সামনে বল নিয়ে ড্রিবলিং করছেন, বাতিস্তুতাকে পাস দিচ্ছেন, স্পট কিকে গোল করছেন; কিছুই বিশ্বাস হচ্ছে না । ঘণ্টাখানেক পর যখন দুই হাত দূরে এসে দাঁড়ালেন, তখনও বিশ্বাস হচ্ছিল না! সার্জিও বলল, কথা বল। আমি কথা বললাম, ইংরেজিতে।
ম্যারাডোনা কিছু বুঝতে না পেরে হাসলেন। সার্জিও তাড়াতাড়ি স্প্যানিশে অনুবাদ করে দিল। কয়েকটা প্রশ্ন করার পরই একটু এগিয়ে গেলাম। আমার হাতে আর্জেন্টাইন ফুটবলের একটা স্যুভেনির। এগিয়ে দিয়ে বললাম, একটা অটোগ্রাফ।
পাশ থেকে একজনকে বললাম ছবি তুলতে।
ম্যারাডোনা অটোগ্রাফ দিচ্ছেন। আমার ইচ্ছা একবার ছুঁয়ে দেখি। আস্তে করে হাতের মাসলটা পান ম্যারাডোনা হেসে মাসলটা শক্ত করলেন। আমি জোরে চাপ দিলাম। একটুও আঙুল বসাতে পারলাম না।
আমি তখন সত্যি সত্যি আর এ জগতে নেই! আমার চোখের সামনে ম্যারাডোনা, আমার দিকে তাকিয়ে হাসছেন। মনে হচ্ছে, আমি যেন স্বপ্নের কোনো এক দুনিয়ায়। আমি যে সাংবাদিক, আমি যে এখানে রিপোর্ট করতে এসেছি; কিছু মনে নেই। শুধু মনে আছে আমার সামনে ম্যারাডোনা, আমি তার সামনে শিশুর মতো এক ভক্ত।
এরপর ম্যারাডোনাকে আরও বার কয়েক দেখেছি। দেখেছি নাইজেরিয়ার বিপক্ষে তার শেষ ম্যাচ, দেখেছি দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন চেহারায়, দেখেছি জার্মানির বিপক্ষে কোচ হিসেবে এখনও পর্যন্ত তার শেষ ম্যাচ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ওই সাক্ষাৎই সবাইকে ছাপিয়ে যায়। আমি প্রাণপণে বিশ্বাস করি, এ গ্রহে আরেকজন পেলে হয়তো জন্মাতে পারে, আরেকজন প্লাতিনি ক্রুয়েক— বেকেনবাওয়ার জন্মাতে পারে; কিন্তু ম্যারাডোনা একজনই। আমার এ কথায় অনেকে আপত্তি করতে পারেন। একটা ঘটনা বলে তাহলে শেষ করি।
২০০৬ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলের ম্যাচ চলছে। মাঠে আছেন পেলে, বেকেনবাওয়ার। হঠাৎ সাউন্ড সিস্টেমে ঘোষণা করা হলো, ‘লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলম্যান, প্লিজ ওয়েলকাম মিস্টার ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা।’
এক পলকে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল পুরো স্টেডিয়াম। টানা করতালি চলতেই লাগল। আজ যখন এ কথা বলছি, তখনও শরীরের সব লোম দাঁড়িয়ে গেছে। কল্পনা করে দেখুন স্টেডিয়ামে পেলে-বেকেনবাওয়ার আছেন; অথচ। এক ম্যারাডোনার নাম ঘোষণা হতেই পুরো স্টেডিয়াম জেগে উঠল।
সেদিন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে কিন্তু আর্জেন্টাইনরা ছিল। না, ছিল তাদের ‘শত্রু’ ব্রাজিলিয়ানরা। সেই ব্রাজিলিয়ান এবং বাকি দুনিয়ার কাছেও একজন পেলে আর বেকেনবাওয়ার যোগ করলেও ম্যারাডোনার চেয়ে কম পড়ে যায়!
এই তো আমার ম্যারাডোনা!
লেখক পরিচিতি:
দিলু খন্দকার- তিনি বাংলাদেশের একজন কিংবদন্তি সাংবাদিক। ১৯৯৪ সাল থেকে মাঠে বসে বিশ্বকাপ ফুটবল কাভার করছেন দিলু খন্দকার। ইত্তেফাকের সাবেক এ সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক বর্তমানে যুক্ত আছেন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ২৪-এর সঙ্গে। খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম মানে দিলু খন্দকারের কাছে ফুটবল মানেই আর্জেন্টিনা এবং ম্যারাডোনা।