কিভাবে সাজানো হলো এবারের সৌদি আরব স্কোয়াড
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

সৌদি আরব জাতীয় ফুটবল দল

ডাকনাম: গ্রিন ফ্যালকনস (সবুজ বাজপাখি) বা আল-সুকুর

কনফেডারেশন: এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)।

কোচ: জর্জিয়োস দোনিস 

ফিফা র‍্যাংকিং: ৬১

কোয়ালিফিকেশন যাত্রা

এশিয়ান বাছাইপর্বে দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়ে তারা কাতার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করার পর থেকে বিশ্বকাপের জন্য সরাসরি নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।

খেলার ধরন

বল পজিশন বা নিয়ন্ত্রণে রেখে খেলা এবং ক্ষীপ্রগতির কাউন্টার-অ্যাটাক। রক্ষণভাগে সুশৃঙ্খল থেকে উইং দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলা তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

তারকা খেলোয়াড়

সালেম আল-দাউসারি (আল-হিলাল) এবং ফিরাস আল-বুরাইকান (আল-আহলি)।

উদীয়মান খেলোয়াড়

মুসাব আল-জুয়াইর এবং নাসের আল-দাওসারি।

কোচের কৌশল

নতুন কোচ জর্জিয়োস দিনিস রক্ষণাত্মক দৃঢ়তার পাশাপাশি মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির ফ্ল্যাঙ্ক আক্রমণকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

শক্তি: মাঝমাঠের চমৎকার বোঝাপড়া এবং দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় স্থানীয় শক্তিশালী লিগে একসঙ্গে খেলার ফলে অসাধারণ টিম-কোহেসন বা একতা। দুর্বলতা: ইউরোপীয় বা লাতিন আমেরিকার শীর্ষ শারীরিক শক্তির দলগুলোর বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের চাপ ধরে রাখার অভাব।

বিশ্বকাপ ইতিহাস

১৯৯৪ সালে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই তারা গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে চমকপ্রদভাবে রাউন্ড অব ১৬-এ উঠেছিল।

স্মরণীয় মুহূর্ত

কাতার ২০২২ বিশ্বকাপে ফেভারিট আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ২-১ গোলের ঐতিহাসিক জয়।

সংস্কৃতি ও সমর্থক

সৌদি ফুটবলে প্রবল আবেগ ও উদ্দীপনা রয়েছে। তাদের ম্যাচগুলোতে গ্যালারি বরাবরই ঐতিহ্যবাহী সবুজ-সাদা রঙে এবং বিশাল ব্যানার-ফেস্টুনে পরিপূর্ণ থাকে।

মজার তথ্য

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে সাইদ আল-ওয়াইরান প্রায় মাঠের মাঝখান থেকে বল টেনে নিয়ে একটি অবিশ্বাস্য গোল করেছিলেন, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম সেরা একক গোল হিসেবে বিবেচিত।

সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-২-৩-১ বা ৪-৩-৩।

গ্রুপ বিশ্লেষণ

বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপ ‘এইচ’-এ তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে স্পেন, উরুগুয়ে এবং কেপ ভার্দে। গ্রুপটি যথেষ্ট প্রতিযোগিতাপূর্ণ।

ভবিষ্যদ্বাণী

গ্রুপের জায়ান্ট দলগুলোর বিপক্ষে তাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং কৌশলগত অনুশাসন কাজে লাগাতে পারলে নকআউট পর্বে যাওয়ার চমৎকার সুযোগ থাকবে।

উক্তি 

‘পিছু হটব না, সামনে এগিয়ে যাব’