মিসর জাতীয় ফুটবল দল
ডাকনাম: দ্য ফারাও
কনফেডারেশন: ক্যাফ
কোচ: হোসাম হাসান
ফিফা র্যাংকিং: ২৯
কোয়ালিফিকেশন যাত্রা
২০২৬ সালের বাছাইপর্বে ‘গ্রুপ এ’-তে দুর্দান্ত পারফর্ম করে সরাসরি বিশ্বকাপ টিকিট নিশ্চিত করেছে মিসর।
খেলার ধরন
গতিশীল ও কাউন্টার-অ্যাটাক নির্ভর। উইং দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলা এবং রক্ষণ সামলে দ্রুত আক্রমণে যাওয়া তাদের মূল শক্তি।
তারকা খেলোয়াড়
মোহাম্মদ সালাহ (লিভারপুল) এবং ওমার মারমাউশ (ম্যানচেস্টার সিটি)।
উদীয়মান খেলোয়াড়: ইব্রাহিম আদেল ও হোসাম আবদেল মাজিদ।
কোচের কৌশল
হোসাম হাসান মূলত ৪-৩-৩ এবং ৪-২-৩-১ ফরমেশনে খেলা পছন্দ করেন। তিনি রক্ষণভাগ সুদৃঢ় রাখার পাশাপাশি উইঙ্গারদের গতি ব্যবহার করে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার কৌশলে বিশ্বাসী।
শক্তি ও দুর্বলতা
শক্তি: বিশ্বমানের ফরোয়ার্ড লাইন এবং উইঙ্গারদের গতি। দুর্বলতা: মাঝমাঠে কখনও কখনও বল ধরে রাখার অভাব এবং হাই-প্রেসিং দলের বিপক্ষে রক্ষণভাগের কিছুটা নড়বড়ে হয়ে যাওয়া।
বিশ্বকাপ ইতিহাস
১৯৩৪, ১৯৯০ এবং ২০১৮ সালের পর এটি মিসরের চতুর্থ বিশ্বকাপ আসর।
স্মরণীয় মুহূর্ত
২০১৮ সালের বিশ্বকাপে মোহাম্মদ সালাহর শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি গোলে প্রায় ২৮ বছর পর মিসরের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন।
সংস্কৃতি ও সমর্থক
মিসরের ফুটবল সংস্কৃতি অত্যন্ত আবেগময়। কায়রোর আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের দর্শকরা অত্যন্ত কোলাহলপূর্ণ এবং তারা দলকে অকুণ্ঠ সমর্থন জোগায়।
মজার তথ্য
মিসরের বর্তমান কোচ হোসাম হাসান দেশটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা (৬৯ গোল) এবং একইসঙ্গে তিনি এবং তার ভাই ইব্রাহিম হাসান ফুটবলবিশ্বে যমজ কোচিং প্যানেল হিসেবে বেশ আলোচিত।
সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-২-৩-১
গ্রুপ বিশ্লেষণ
২০২৬ সালের মূল বিশ্বকাপে মিসর পড়েছে ‘গ্রুপ জি’-তে। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বেলজিয়াম, ইরান এবং নিউজিল্যান্ড। বেলজিয়ামের মতো কঠিন প্রতিপক্ষ থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার জন্য তাদের সুযোগ বেশ ভালো।
ভবিষ্যৎবাণী
আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের বর্তমান ফর্ম অনুযায়ী মিসর গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউট পর্বে পা রাখার জন্য অন্যতম ফেভারিট।
উক্তি
‘আমরা যখন ফারাওদের কথা বলি, তখন পুরো পৃথিবী থেমে আমাদের কথা শোনে’