অনলাইন ডেস্ক: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অনুদান, সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরাম (এইচএলপিএফ) ২০২৬-এর সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের জাতীয় বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিকল্প নেই।
তথ্য অনুযায়ী, সাকি জানান, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, সরকারি প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে ‘রিকভারি, রিফর্ম অ্যান্ড রিবিল্ড (৩আর)’ কৌশল বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা জোরদার এবং কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। পাশাপাশি ২৫ কোটি চারাগাছ রোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, জাতীয় কার্বন বাজার গঠন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ শক্তিশালীকরণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ উন্নয়নের অংশ হিসেবে কৃষকদের সেবা সহজ করতে ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
জোনায়েদ সাকি বলেন, এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ সংস্কার ও কৌশলগত বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারদের আরও কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন প্রচেষ্টা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
জা.অর্থনীতি/এসআই
