জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ টুথপেস্টে মধ্যে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে বলে সম্প্রতি এক গবেষণা উঠে বসেছে, যা নিয়ে দেশব্যাপী উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিওর গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এমনকি শিশুদের জন্য তৈরি ৬টি টুথপেস্টের মধ্যে ৪টিতেই মিলেছে একই ক্ষতিকর উপাদান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই প্রাকৃতিক বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন।
প্রাকৃতিক বিকল্পের মধ্যে অন্যতম একটি উপাদান হলো বেকিং সোডা। এটি দাঁতের দাগ তুলতে ও মুখের অম্লতা কমাতে সহায়ক। তবে এতে ফ্লোরাইড নেই এবং অতিরিক্ত ব্যবহার এনামেলের ক্ষতি করতে পারে।
নারকেল তেলের অয়েল পুলিং কিছুটা জীবাণুনাশক প্রভাব ফেললেও এটি ব্রাশের বিকল্প নয়। এছাড়া লবণ, নিমের ডাল, মিসওয়াক, বেন্টোনাইট টুথপাউডার এবং কিছু এসেনশিয়াল অয়েলও ব্যবহার করা হয়। তবে প্রতিটিরই রয়েছে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা।
বিশেষজ্ঞরা বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন কাঠকয়লা ব্যবহারে, কারণ এগুলো দাঁতের এনামেল দ্রুত ক্ষয় করতে পারে।
তারা বলছেন, প্রাকৃতিক উপায়গুলো সম্পূর্ণ বিকল্প নয়, বরং সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। দাঁতের ক্ষয় রোধে ফ্লোরাইডের কার্যকারিতার বিকল্প এখনো পাওয়া যায়নি।
তাই টুথপেস্ট বেছে নেওয়ার সময় উপাদান সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনে দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।
—জা. অর্থনীতি/এনজে