দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ফসফরাস শেল হামলার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাবর্ষণে ফসফরাসজাতীয় মুনিশন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ জেলার কয়েকটি শহর ও আশপাশের এলাকায় হামলার সময় এসব মুনিশন ব্যবহার করা হয় বলে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে।

এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, নাবাতিয়েহ জেলার জাওতার আল-শারকিয়াহ, মাইফাদুন ও নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে ইসরায়েলি কামানের গোলা আঘাত হানে। নাবাতিয়েহ আল-ফাওকায় ফসফরাস শেল ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। পরে জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকাতেও একই ধরনের মুনিশন দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সময়ে দক্ষিণ লেবাননের টায়ার জেলাতেও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। ওয়াদি জিবকিন, হারিস ও হাদাথা এলাকার উপকণ্ঠে হামলা চালানো হয়।

এদিকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় আগের ইসরায়েলি হামলার অবিস্ফোরিত অস্ত্রও ঝুঁকি তৈরি করছে। লেবানিজ সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা মারজায়ুন জেলার মাজদাল সেলম এবং বিন্ত জবেইল জেলার আল-গান্দুরিয়াহ এলাকায় দুটি অবিস্ফোরিত ইসরায়েলি বিমানবোমা শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করেছেন। পরে সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

চলতি সপ্তাহেও নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান ও কামান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ২১ সেপ্টেম্বর এনএনএ জানায়, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা, জাওতার আল-শারকিয়াহ ও মাইফাদুনের মধ্যবর্তী এলাকায় কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়। একই সময়ে কফর তিবনিতের উপকণ্ঠ ও আলি আল-তাহের বনাঞ্চলেও বিমান হামলা চালানোর কথা জানানো হয়।

এর আগেও দক্ষিণ লেবাননে ফসফরাসজাতীয় মুনিশন ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। ২৩ সেপ্টেম্বর জাওতার আল-শারকিয়াহর উপকণ্ঠে ফসফরাস বোমা ফেলার পর আগুন লাগার কথা জানিয়েছিল স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।

জা.অর্থনীতি/এসআই