অনলাইন ডেস্ক: যে মহাকাশকে এতদিন মূলত গবেষণা আর যোগাযোগের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হতো, সেটিই কি এবার হয়ে উঠছে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র? প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে, পৃথিবীর কক্ষপথে তাদের ‘স্পেস কন্ট্রোল’ অস্ত্র মোতায়েন রয়েছে! কী ধরনের অস্ত্র, কতগুলো এবং কবে পাঠানো হয়েছে, তা অবশ্য জানায়নি ওয়াশিংটন। এর মধ্যেই রাশিয়া ও চীনের মহাকাশ সক্ষমতাকে ঘিরে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ।
প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র, পৃথিবীর কক্ষপথে তাদের ‘স্পেস কন্ট্রোল’ অস্ত্র মোতায়েন রয়েছে! সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক এ তথ্য জানান।
‘এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে’ দেওয়া বক্তব্যে মেইঙ্ক বলেন, পরিবর্তনশীল হুমকি মোকাবিলা এবং বৈরী পক্ষের পদক্ষেপ থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষা দিতে কক্ষপথে এই সক্ষমতা রাখা হয়েছে। তবে, অস্ত্রগুলোর ধরন, সংখ্যা কিংবা কবে এগুলো কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে, এসব বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, মহাকাশে রাশিয়া ও চীনের সামরিক সক্ষমতা বাড়ার কারণেই এই পদক্ষেপ প্রয়োজন হয়েছে। সামরিক যোগাযোগ, নেভিগেশন, গোয়েন্দা নজরদারি ও ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণে স্যাটেলাইটের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ায়, সেগুলো রক্ষা করা এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মার্কিন স্পেস ফোর্সের ব্যাখ্যায় ‘স্পেস কন্ট্রোল’ এর মধ্যে প্রতিপক্ষের মহাকাশ সক্ষমতায় বাধা দেওয়া, দুর্বল করা কিংবা প্রয়োজনে ধ্বংস করার মতো আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক কার্যক্রমও থাকতে পারে। তবে, প্রকাশ্যে এখনো নিশ্চিত নয়, কক্ষপথে মোতায়েন করা অস্ত্রগুলো ঠিক কোন ধরনের।
এই ঘোষণার পর মহাকাশের সামরিকীকরণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চীনও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত না করার আহ্বান জানিয়েছে।
১৯৬৭ সালের Outer Space Treaty কক্ষপথে পারমাণবিক ও অন্যান্য গণবিধ্বংসী অস্ত্র স্থাপন নিষিদ্ধ করে। তবে, সব ধরনের প্রচলিত বা অ-পারমাণবিক মহাকাশ অস্ত্র নিষিদ্ধ করে না। ফলে, মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রতিযোগিতার আইনি ও কৌশলগত বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি তাই শুধু একটি সামরিক তথ্য নয়, পৃথিবীর কক্ষপথ ভবিষ্যতের সংঘাতের নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠছে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে আনছে।
যে মহাকাশকে এতদিন মূলত গবেষণা আর যোগাযোগের ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হতো, সেটিই কি এবার হয়ে উঠছে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র? প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে, পৃথিবীর কক্ষপথে তাদের স্পেস কন্ট্রোল’ অস্ত্র মোতায়েন রয়েছে! কী ধরনের অস্ত্র, কতগুলো এবং কবে পাঠানো হয়েছে, তা অবশ্য জানায়নি ওয়াশিংটন। এর মধ্যেই রাশিয়া ও চীনের মহাকাশ সক্ষমতাকে ঘিরে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ।
প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে, পৃথিবীর কক্ষপথে তাদের ‘স্পেস কন্ট্রোল’ অস্ত্র মোতায়েন রয়েছে! মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ সক্ষমতার মতো হুমকি মোকাবিলায় এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে, অস্ত্রগুলোর ধরন, সংখ্যা বা কবে এগুলো কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি। এসব সক্ষমতা প্রতিরক্ষার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের মহাকাশ ব্যবস্থায় বাধা দেওয়ার কাজেও ব্যবহার হতে পারে। ঘোষণার পর মহাকাশে নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতার আশঙ্কা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি