আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে ‘জিয়া সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড রিসার্চ’। এ লক্ষ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি শহরের নয়াবস্তিতে অবস্থিত বাড়িটি পরিদর্শন করেছেন সংস্থাটির প্রতিনিধি প্রদীপচন্দ্র সাহা।
বৃহস্পতিবার বাড়িটি পরিদর্শনের পাশাপাশি খালেদা জিয়ার শৈশবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে পরিচিত সুনীতিবালা সদর বালিকা বিদ্যালয়ও ঘুরে দেখেন তিনি। পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে সংস্থার কাছে জমা দেবেন প্রদীপ। পরে সেই প্রতিবেদন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের কাছে পাঠানো হবে।
প্রদীপচন্দ্র সাহা ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। জলপাইগুড়িতে এসে তিনি স্থানীয় ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক উমেশ শর্মার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উমেশ জানান, খালেদা জিয়ার জন্ম এই শহরে হওয়ায় তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর ইতিহাস সংরক্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ।
খালেদা জিয়ার বাবা মুহম্মদ এসকান্দার মজুমদার জলপাইগুড়িতে একটি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। ১৯৪৬ সালে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া শৈশব কাটান নয়াবস্তির ওই বাড়িতে। দেশভাগের পর কয়েক বছর সেখানে থাকার পর ১৯৫৪ সালে সম্পত্তি বিনিময়ের মাধ্যমে পরিবারসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান এসকান্দার মজুমদার। বর্তমানে বাড়িটিতে তাঁর উত্তরসূরিরা বসবাস করছেন।
প্রদীপ জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত জিয়া সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত স্থান ও সামগ্রী নিয়ে গবেষণা এবং সংরক্ষণ। বাড়িটি ব্যক্তিমালিকানাধীন হওয়ায় সংরক্ষণের বিষয়টি দুই দেশের সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। এ বিষয়ে শিগগিরই প্রস্তাব দেওয়া হবে।
জা.অর্থনীতি/এসআই