রকেট পুনঃব্যবহারে কীভাবে বিলিয়ন ডলার বাঁচছে (ভিডিও)
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: একটা সময় মহাকাশে একটা রকেট পাঠাতে খরচ হতো শত শত মিলিয়ন ডলার, ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হতো পুরো রকেটটাই। কিন্ত সেই হিসাবটাই পুরোপুরি বদলে দিয়েছে স্পেসএক্স। কীভাবে সম্ভব হলো এই অসম্ভবকে সম্ভব করা?

মহাকাশ প্রযুক্তির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটিয়েছে স্পেসএক্সের পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তি। আগে একটা রকেট মহাকাশে পাঠানোর পর সেটা সমুদ্রে পড়ে নষ্ট হয়ে যেত, প্রতিবার নতুন রকেট বানাতে হতো নতুন করে। স্পেসএক্সের ফ্যালকন নাইন রকেট প্রথমবারের মতো দেখায়, একটা রকেটের প্রথম স্তর মহাকাশে গিয়ে আবার ফিরে এসে সোজা মাটিতে নামতে পারে, তারপর সেটা আবার ব্যবহার করা যায়।

 

এই প্রযুক্তির ফলে মহাকাশে কিছু পাঠানোর খরচ কমে এসেছে অনেকটাই, যা আগে অসম্ভব মনে হতো। এর ফলে স্যাটেলাইট প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা এমনকি ছোট দেশগুলোও এখন তুলনামূলক কম খরচে মহাকাশে তাদের প্রকল্প পাঠাতে পারছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েই স্পেসএক্স তৈরি করেছে স্টারলিংক, যা এখন বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে, আর তাদের গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে আশি লাখ, একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কক্ষপথ থেকে এআই ডেটা সেন্টার চালানোর সম্ভাবনাও দেখা হচ্ছে।

এর প্রভাব শুধু প্রযুক্তিতে সীমাবদ্ধ নেই, পুরো মহাকাশ অর্থনীতির চেহারাই বদলে যাচ্ছে। নাসার মতো সরকারি সংস্থাগুলো এখন প্রাইভেট কোম্পানির সেবা নিচ্ছে মহাকাশচারী পাঠাতে, স্যাটেলাইট বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, আর বিনিয়োগকারীদের কাছে মহাকাশ খাত এখন আর কল্পবিজ্ঞান না, বরং একটা বাস্তব লাভজনক বাজার। ২০২৬ সালে সম্ভাব্য আইপিওতে স্পেসএক্সের মূল্যায়ন আটশ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা মহাকাশ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের নতুন এক অধ্যায় শুরু করবে।

স্পেসএক্স যেভাবে বদলাচ্ছে মহাকাশ অর্থনীতি!

একটা সময় মহাকাশে একটা রকেট পাঠাতে খরচ হতো শত শত মিলিয়ন ডলার, ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হতো পুরো রকেটটাই। কিন্ত সেই হিসাবটাই পুরোপুরি বদলে দিয়েছে স্পেসএক্স। কীভাবে সম্ভব হলো এই অসম্ভবকে সম্ভব করা?

আগে রকেট একবার ব্যবহার করেই ফেলে দিতে হতো, স্পেসএক্স সেই হিসাব পুরো বদলে দিয়েছে পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট দিয়ে। এতে মহাকাশে কিছু পাঠানোর খরচ কমেছে অনেকটাই। এই সুযোগ কাজে লাগিয়েই তৈরি হয়েছে স্টারলিংক, যার গ্রাহক এখন আশি লাখ ছাড়িয়ে গেছে। নাসার মতো সংস্থাও এখন প্রাইভেট কোম্পানির সেবা নিচ্ছে, স্যাটেলাইট বাজারে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ২০২৬ সালে স্পেসএক্সের সম্ভাব্য আইপিওতে মূল্যায়ন আটশ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে। এক কথায়, স্পেসএক্স শুধু রকেট বানায়নি, পুরো মহাকাশ শিল্পটাকেই বানিয়ে দিয়েছে একটা লাভজনক ব্যবসা।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি