জাতীয় অর্থনীতি অনলাইন: আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে দেশের স্বর্ণবাজারেও। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হবে। এর আগে গত সোমবার (২ নভেম্বর) স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছিল বাজুস। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা এলো।
বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। বাজার পরিস্থিতি ও সার্বিক মূল্যপ্রবণতা পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত দামের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্বর্ণালঙ্কার তৈরির ক্ষেত্রে অলঙ্কারের নকশা ও ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে মজুরি নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে, স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদা করে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ১৩২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৬৪ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬৭ দফায় কমানো হয়েছে। এ ছাড়া একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ দফায় দাম বাড়ানোর বিপরীতে ২৯ দফায় কমানো হয়। অর্থাৎ, গত বছর যতবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল, চলতি বছরেও এখন পর্যন্ত একই সংখ্যকবার দাম বাড়িয়েছে বাজুস। তবে চলতি বছরে দাম সমন্বয়ের মোট সংখ্যা ইতোমধ্যে গত বছরের তুলনায় বেশি হয়েছে।
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ
