ম্যানেজ মানি হিসেবেই প্রকল্পের ১২-১৪% নেন পিআইও ইস্রাফিল
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইস্রাফিল হোসাইন ও বাশার নামের এক ব্যক্তির সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প (টিআর, কাবিটা, কাবিখা) থেকে ১২-১৪% টাকা ‘ম্যানেজ মানি’ হিসেবে কেটে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পিআইও ইস্রাফিল নিজেই এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ হওয়া অর্থ থেকে অফিস খরচের নামে প্রায় ২০% টাকা এই সিন্ডিকেটের পকেটে চলে যায়। বাশার পিআইও অফিসের কেউ না হলেও তার মাধ্যমেই সব কমিশন বাণিজ্য চলে এবং পিআইও ও বাশার সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এই কমিশন বাণিজ্যের কারণে কুন্ডেরচর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় অতি নিম্নমানের কাজ, স্কাভেটর দিয়ে কাজ করা এবং অস্তিত্বহীন প্রকল্প দেখিয়ে বিল তুলে নেওয়ার মতো ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট পরিলক্ষিত হয়েছে।

এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান বলেন, তিনি নতুন আসায় বিষয়টি তার জানা নেই, তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শরীয়তপুর জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা নাজনীন শামিমা এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) তাহসিনা বেগমও তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এছাড়া শরীয়তপুর-১ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে পিআইও ইস্রাফিলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি