জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক:
সাময়িক চাপ তো সবারই হয়। কিন্তু সেই চাপ যদি মাসের পর মাস থেকে যায়, তখন শরীর ও মস্তিষ্কে কী ঘটে? কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কিংবা অতিরিক্ত তথ্যের ভিড়! সব মিলিয়ে অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপে থাকেন। এই দীর্ঘস্থায়ী চাপকে বলা হয় ক্রনিক স্ট্রেস। তবে, কিছু অভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এই চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
পরীক্ষা, চাকরির ইন্টারভিউ, পারিবারিক চাপ কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আগে দুশ্চিন্তা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো চাপের কারণ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে সেটি শরীর ও মনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে!
ক্রনিক স্ট্রেসের ক্ষেত্রে ঘুমের সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ, মাথাব্যথা, পেশিতে টান, মনোযোগে সমস্যা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিনের স্ট্রেস হৃদ্স্বাস্থ্য ও মানসিক সুস্থতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রথম কাজ হলো নিজের স্ট্রেসের উৎস চিহ্নিত করা। যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেটি নিয়ে বারবার চিন্তা না করে যেটুকু নিজের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেটির ওপর মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
নেতিবাচক চিন্তার ধরনও পরিবর্তন করা যেতে পারে। ‘আমি পারব না’ বলার বদলে ‘আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করব’ এ ধরনের বাস্তবসম্মত চিন্তা পরিস্থিতিকে সামলাতে সাহায্য করতে পারে।
শরীরকে শান্ত রাখার জন্য নিয়মিত গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস, মেডিটেশন, হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম উপকারী হতে পারে। একইসঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত খাবার এবং প্রতিদিন কিছুটা সময় ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে, শুধু নিজের চেষ্টায় সবসময় দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস সামলানো সম্ভব নাও হতে পারে। চাপ যদি দৈনন্দিন জীবন, ঘুম বা কাজের ওপর দীর্ঘদিন প্রভাব ফেলে, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
মনে রাখতে হবে, স্ট্রেস থেকে মুক্তি কোনো একদিনের ঘটনা নয়। নিয়মিত ছোট ছোট পরিবর্তনই ধীরে ধীরে শরীর ও মস্তিষ্ককে চাপ সামলানোর সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
দীর্ঘদিনের স্ট্রেস থেকে বাঁচতে কী করবেন
সাময়িক চাপ তো সবারই হয়। কিন্তু সেই চাপ যদি মাসের পর মাস থেকে যায়, তখন শরীর ও মস্তিষ্কে কী ঘটে? কাজের চাপ, ব্যক্তিগত সমস্যা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা কিংবা অতিরিক্ত তথ্যের ভিড়! সব মিলিয়ে অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপে থাকেন। এই দীর্ঘস্থায়ী চাপকে বলা হয় ক্রনিক স্ট্রেস। তবে, কিছু অভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এই চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শরীরে কী ক্ষতি করে?
মাসের পর মাস মানসিক চাপ থাকলে ঘুমের সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও মনোযোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে। চাপ কমাতে প্রথমে এর উৎস চিহ্নিত করুন। নিয়মিত ঘুম, হাঁটা বা ব্যায়াম, গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং কিছু সময় ফোন-সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা কাজে আসতে পারে। তবে, দীর্ঘদিনের স্ট্রেস যদি দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে, তাহলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি