কতটা সংকটে নায়ায়ণগঞ্জের জামদানি শিল্প? (ভিডিও)
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: হাঁকডাকে চলছে বেচাকেনা। জমজমাট জামদানির বাজার। নিজেদের তৈরি শাড়ি এই হাটে সরাসরি বিক্রি করেন কারিগররা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি দরে জামদানি কিনতে নারায়ণগঞ্জের নোয়াপাড়ায় শুক্রবার নামে ক্রেতাদের ঢল। পাইকারিতে ধরণ ও হাতের কাজ ভেদে প্রতিটি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২ লাখ টাকায়।

 

একসময় সূক্ষ্ম বস্ত্র তৈরিতে এই জেলার খ্যাতি ছিল দেশ-বিদেশে। বস্ত্রশিল্পের ঐতিহ্য আর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে সোনারগাঁয়ের নাম।

জামদানি শিল্পের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে আছেন নবী হোসেন। তবে আর্থিক সংকট এবং অনেকে পেশা ছেড়ে যাওয়ায় ঐতিহ্যবাহী শিল্পের টিকে থাকা নিয়ে তার মনে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। তার মতো অবস্থায় অন্য তাঁতীরাও।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জামদানি তৈরিতে অধিক সময় ও শ্রম ব্যয় হলেও অনেক কারিগর সে অনুযায়ী পান না পারিশ্রমিক। এছাড়া, দিন দিন উৎপাদন খরচ বাড়ায় কমছে লাভ। আর্থিক সংকটে কেউ কেউ পেশা ছাড়ছেন। নতুন প্রজন্মের মধ্যেও কমছে জামদানি শিল্পে আসার আগ্রহ।

জামদানি শিল্পের ঐতিহ্য ধরে রাখতে উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

২০১৬ সালে জামদানি বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি