আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের পুণের ব্যবসায়ীপুত্র কেতন অগ্রবাল হত্যাকাণ্ডে তদন্তে উঠে এসেছে নতুন তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, কেতনকে হত্যার কয়েক মাস আগেই গোপনে বিয়ে করেছিলেন অভিযুক্ত সিয়া গোয়ল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী। দু’জনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্যের সন্ধান মিলেছে বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে সিয়া ও চেতনের মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা, অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য এবং ইন্টারনেট সার্চ হিস্ট্রি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সেই সময় উদ্ধার হওয়া কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা থেকে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে তারা গোপনে বিয়ে করেছিলেন। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই বিয়ের বিষয়টি দুই পরিবারের কেউই জানতেন না। এমনকি কেতনের পরিবারও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিল না।
তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিয়ের পর থেকেই কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সিয়া ও চেতন। পুলিশের দাবি, গত ১৪ জুন প্রথমবার কেতনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে সিয়া দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ায় সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর সিয়া চেতনকে একটি বার্তা পাঠান। সেখানে তিনি লেখেন, “আমি একা এই কাজ করার সাহস পাচ্ছি না। তুমিও এসো। আমরা দু’জনে মিলে কাজটা শেষ করব।”
পুলিশের অভিযোগ, এরপর গত ১৮ জুন সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল তথ্য, ফরেনসিক প্রমাণ এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা পুরো ঘটনার ধারাবাহিকতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছেন।
উল্লেখ্য, তদন্তে উঠে আসা তথ্যগুলির একটি অংশ তদন্তকারী সূত্রের দাবি। মামলার বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
সূত্র: আনন্দবাজার
জা.অর্থনীতি/এসআই