কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: উৎসবমুখর পরিবেশে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ‘মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, মননশীল বিকাশ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবীবুর রহমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সালাম আকন্দ, রেজিস্ট্রার নায়লা ইয়াসমিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, সহকারী প্রক্টর, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নকলায় এক মাদকসেবীর জেল, চার ফার্মেসিকে জরিমানা
উদ্বোধনী ম্যাচে ফ্যালকন XI-এর মুখোমুখি হয় প্যাচাল মাস্টার দল। খেলা দেখতে মাঠে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবীবুর রহমান বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা তরুণদের গঠনমূলক কাজে অনুপ্রাণিত করে এবং শিক্ষাঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করে। তিনি মাদকমুক্ত ও প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, মানসিক দৃঢ়তা তৈরি এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
আরও পড়ুন: মাদকের শিকড় উপড়ে ফেলা হবে: ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মাশরাফি মর্তুজা ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আবেদীন নাফছি বলেন, আরাফাত রহমান কোকো তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ধারার ক্রীড়া চর্চায় উৎসাহিত করতেন। তাঁর স্মৃতিকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, ঐক্য ও সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বিভাগের মোট ১০টি দল অংশগ্রহণ করছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঐক্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুস্থ, ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ে উঠবে।
—জা.অর্থনীতি/এনজে