শিক্ষাজীবন ও জ্ঞানচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পড়াশোনার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। দেশ ও সমাজের প্রয়োজনে তারা এগিয়ে আসবে, কিন্তু কোনোভাবেই শিক্ষাজীবন ও জ্ঞানচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী (এলজিআরডি) ড. আব্দুল মঈন খান।

তিনি  বলেন, দেশের কোনো সংকট দেখা দিলে ছাত্রসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। অতীতেও ছাত্ররা দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানেও ছাত্রসমাজ দেশকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তারা যে ভূমিকা রেখেছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ছাত্রদের এই দায়িত্ব পালন করতে হবে লেখাপড়া বাদ দিয়ে নয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বই ও পাঠাগার একজন শিক্ষার্থীর জীবনের অমূল্য সম্পদ। নতুন প্রজন্ম মোবাইল ফোনে পড়ুক, ই-বুকে পড়ুক কিংবা প্রচলিত বই পড়ুক–পড়ার চর্চা কোনোভাবেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। কারণ লেখাপড়া ছাড়া বিশ্বের বুকে কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না।

জিয়া স্মৃতি বইমেলা উদ্যোগের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, বই ও পাঠাগার শুধু জ্ঞানচর্চার মাধ্যম নয়, একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সভ্যতা সংরক্ষণেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। মানবসভ্যতার বিকাশের সঙ্গে বইয়ের ইতিহাসও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। তাই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যেও বই পড়ার সংস্কৃতি ধরে রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, একটি জাতির অগ্রগতি ও গৌরবের ভিত্তি হচ্ছে জ্ঞান ও শিক্ষা। নতুন প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে বইমেলা, পাঠাগারসহ বিভিন্ন উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি।

—জা.অর্থনীতি/আরএস