হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে: সিসিক প্রশাসক
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট প্রতিনিধি: হৃদরোগের চিকিৎসায় বাংলাদেশ এখন অনেক এগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে। তবে হৃদরোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ‘বিশ্ব হার্ট দিবস’ উপলক্ষ্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট আয়োজিত আলোচনা সভা ও গণমুখী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে হৃদরোগ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালিতে অংশ নেন তিনি।

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৪২

সিসিক প্রশাসক বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও মানসিক চাপের কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। হৃদরোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। বিশেষ করে হৃদরোগের কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে মানুষকে জানাতে হবে।

তিনি বলেন, হৃদরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন গড়ে তুলতে হবে। শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং ক্ষতিকর অভ্যাস পরিহারে গুরুত্ব দিতে হবে। চিকিৎসকদেরও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেট প্রতিষ্ঠায় জাতীয় অধ্যাপক মরহুম ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিকের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। হৃদরোগের চিকিৎসাসেবায় প্রতিষ্ঠানটি সিলেটসহ বৃহত্তর অঞ্চলের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের জন্য ভূমি বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মরহুম এম. সাইফুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পথ সুগম হয়েছিল।

—জা. অর্থনীতি/এনজে