রায়ের আগে বাবার কাছে ক্ষমা চাইলো সোহেল
জাতীয় অর্থনীতি

নাটোর প্রতিনিধি: দেশজুড়ে আলোচিত পল্লবীর শিশু রামিসা আক্তার (৮) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের রায় মেনে নিয়েছে সোহেলের পরিবার। রোববার (৭ জুন) সকালে রায় ঘোষণার আগে কারাগার থেকে বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিজের অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা চান আসামি সোহেল রানা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে কারা কর্তৃপক্ষের ফোন থেকে বাবা জাকির হোসেনের সঙ্গে কথা বলেন সোহেল রানা। এ সময় তিনি নিজের অপরাধের জন্য ক্ষমা চান।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সোহেলের বোন জলি বেগম বলেন, আদালত যে রায় দিয়েছেন, আমরা তা মেনে নিয়েছি। আমাদের আর্থিক সামর্থ্য থাকলে আপিল করার চেষ্টা করতাম। বাবা জাকির হোসেন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আপিল করার মতো টাকা-পয়সা আমাদের নেই। সরকার যদি খরচ দেয় তাহলে আপিল করার কথা চিন্তা করব।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোহেলের অতীত জীবন নিয়েও এলাকায় চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নানা অভিযোগ ছিল। ঋণগ্রস্ত হয়ে প্রায় চার বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্নাকে নিয়ে তিনি সিংড়া ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। এ মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় গ্রামের বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা (৩৩) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৮) মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রোববার বেলা ১১টায় বিচারক মাসরুর সালেকীন এই রায় ঘোষণা করেন।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি