নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত চলনবিলের কারিগররা
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

নাটোর প্রতিনিধি: বর্ষা ঋতুর আগমনে চলনবিল অধ্যুষিত নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলে চলনবিল অঞ্চলে নতুন নৌকা তৈরি ও পুরনো নৌকা মেরামতের ধুম পড়েছে। এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বর্ষাকালে ৫ মাস এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাতায়াত, হাটবাজার ও মাছ ধরার একমাত্র বাহন হয়ে ওঠে নৌকা।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে উপজেলার বিলদহর, কালিনগর, শেরকোল, তাজপুর, সাঁতপুকুরিয়া, বড়িয়া, ডাহিয়া, বিয়াশ ও পৌর এলাকা ঘুরে কারিগরদের ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে। কারিগর ও কারখানা মালিকরা জানান, কাঠ, লোহা ও অন্যান্য উপকরণের দাম বাড়ায় এবার নৌকা তৈরির উৎপাদন খরচ এবং দাম গত বছরের চেয়ে বেশি।

পৌরসভার চকসিংড়া মহল্লার নৌকা তৈরির কারখানার মালিক আব্দুল হান্নান বলেন, কড়ই, হিজল ও মেহগনির কাঠ দিয়ে মূলত মাছ ধরার ছোট ডিঙি নৌকা তৈরি করা হচ্ছে। এ বছর কাঠের নৌকা ৫,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা এবং প্লেন সিটের নৌকা ৮,৫০০ থেকে ৯,০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অলরেডি ৬০টি নতুন নৌকা বিক্রি হয়েছে এবং এ বছর ২০০ থেকে ২৫০টি নৌকা বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন। নৌকা কিনতে আসা সাঁতপুকুরিয়া গ্রামের রুবেল হোসেন ও আনন্দনগর এলাকার আফজাল হোসেন জানান, চলনবিলে পানি বাড়লে যাতায়াত ও মাছ ধরার জন্য নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না, তবে এবার নৌকার দাম অনেক বেশি।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি